• সোমবার   ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ ||

  • আশ্বিন ১১ ১৪২৯

  • || ০১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

আজকের সাতক্ষীরা

বিডিআর হত্যাকাণ্ডে বিএনপি-জামায়াত সংশ্লিষ্টতার তথ্য প্রমাণ

আজকের সাতক্ষীরা

প্রকাশিত: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২২  

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার চূড়ান্ত পর্যায়ে। পাকিস্থানি হানাদার বাহিনী ৭১ সালের ১৪ই ডিসেম্বর পরাজয়ের শেষ সময়ে হত্যা করেছিল আমাদের বুদ্ধিজীবীদের। এর ৩৮ বছর পর স্বাধীনতার সপক্ষ শক্তি যখন নিরঙ্কুশ ম্যান্ডেট নিয়ে সরকার গঠন করে তখন ঘটানো হয় পিলখানা হত্যাকাণ্ড। পরাজিত স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি প্রতিহিংসার বহিঃপ্রকাশ ঘটায় আমাদের ৫৭ জন দেশপ্রেমিক মেধাবী সেনাকর্মকর্তাকে হত্যার মাধ্যমে। জাতির কলঙ্কমোচনে বিডিআর হত্যাকাণ্ডের বিচার নিঃসন্দেহে দৃঢ় ও প্রশংসনীয় পদক্ষেপ এবং সুশাসনের মাইলফলক।

বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড নিয়ে পাকিস্থানি হানাদার বাহিনী ও তাদের রাজাকার দোসরদের দায়মুক্তি দিতে যেভাবে অপপ্রচার চালানো হয়েছিল, ঠিক একইভাবে পিলখানা হত্যাকাণ্ড নিয়েও ষড়যন্ত্রকারীরা অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। আমরা খুব দ্রুত অতীত ভুলে যাই। তাই বাংলাদেশের অস্তিত্ব যারা সহজে স্বীকার করতে চায় না, স্বাধীন বাংলাদেশে ক্যু-এর নামে যারা হাজার হাজার মুক্তিযোদ্ধা ও সেনাসদস্য হত্যা করেছে, যারা রাজাকারদের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বসিয়েছে, নতুন প্রজন্মের কাছে সেই অপশক্তির মুখোশ উন্মোচন করা প্রয়োজন।

 অপরাধ আড়াল করতে অপপ্রচারঃ 

বিডিআর মিউটিনি নিয়ে প্রচলিত অপপ্রচার হচ্ছে আওয়ামী লীগের ইন্ধনে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা র’ এ ঘটনার জন্য দায়ী। এর মাধ্যমে ভারত ২০০১ সালে রৌমারি সীমান্তে বিডিআর-বিএসএফের সংঘর্ষে শতাধিক বিএসএফ হত্যার প্রতিশোধ নিয়েছে। বিএনপি-জামায়াত ভারত ও ইসরায়েলকে ইঙ্গিত করে বক্তব্যও দিয়েছে। জামায়াত নেতা মুজাহিদ বলেছিলেন, ‘ভারতের চক্রান্তে একাধিক পত্রিকা ও এনজিও পিলখানা হত্যাযজ্ঞের জন্য দায়ী।’

তাদের নিয়ন্ত্রিত প্রচার মাধ্যমে এখনও একই অপপ্রচার চলে। এ অপপ্রচারের জবাবে একটি উদাহরণই যথেষ্ট। ২০০১ সালে রৌমারির ঘটনার সময় বিডিআর প্রধান ছিলেন জামায়াত ঘরানার ফজলুর রহমান। বিডিআর মিউটিনির সময় তেহরান রেডিওতে দেয়া সাক্ষাৎকারে বিডিআরের দাবি যুক্তিসঙ্গত উল্লেখ করে ফজলুর রহমান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বক্তব্য দিয়েছিলেন। একটি টিভি চ্যানেলে দেয়া সাক্ষাৎকারে কিছুটা সুর পরিবর্তন করলেও বিডিআর বিদ্রোহীদের পক্ষেই মতামত প্রকাশ করেন।

প্রতিশোধ ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি কারা করে?

বিএনপির রাজনীতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ও হাজার হাজার সেনার রক্ত ঝরিয়ে। তারা এতটাই প্রতিশোধপরায়ণ যে, ৯৬ সালে জনতার মঞ্চে গিয়েছে শুধু এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতেই সরকারী কর্মকর্তাদের বরখাস্ত করেছে ও মামলা দিয়েছে। অথচ ২০০৮ থেকে ২০১৩ সময়কালে বিএনপি-জামাত ঘরানার একজন কর্মকর্তাকেও আ’লীগ বরখাস্ত করেনি।

 সেনাবাহিনীর উপর ক্ষোভ কেন?

আ’লীগ হত্যা ও প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করলে গোলাম আযমের ছেলে আমান আযমীর জীবিত থাকার কথা নয়। ১৫ই আগস্ট ও জেলহত্যা থেকে কিবরিয়া হত্যাকাণ্ড বা ২১শে আগস্টের গ্রেনেড হামলা সকল ষড়যন্ত্রে উঠে এসেছে বিএনপির নাম।

বিএনপি আমাদের সেনাবাহিনীকে আজ্ঞাবহ হিসেবে বিবেচনা করে এসেছে। নৈরাজ্য, অরাজকতা, স্বেচ্ছাচার ও দুর্নীতিতে আকণ্ঠ নিমজ্জিত থেকে ২০০৬ সালে তারা চেয়েছিল সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করে ক্ষমতা ধরে রাখতে। মইন ইউ আহমেদ, মে. জে. সাদিক হাসান রুমীসহ অনেক সেনা কর্মকর্তাই জোট সরকারের অপকর্ম তুলে ধরেছিলেন। উপরন্তু সুষ্ঠু নির্বাচনে সেনাবাহিনী বিশেষ ভূমিকা রাখার ফলশ্রুতিতে আ’লীগ ল্যান্ডমার্ক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। তাই ক্ষমতা হারানোর প্রতিশোধ হিসেবে বিএনপি-জামায়াত পাকিস্থানের আইএসআইএর সহযোগিতায় পিলখানা হত্যাকাণ্ডের প্রেক্ষাপট রচনা করে। তারা চেয়েছিল এর মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করে আ’লীগকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিতে।

যারা নিহত হয়েছেন

খালেদা, নিজামী যখন জেএমবি ও জঙ্গিদের অস্তিত্বের কথা অস্বীকার করেছিলেন এবং বাংলা ভাই মিডিয়ার সৃষ্টি বলে মন্তব্য করেছিলেন, সে সময় শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কর্ণেল গুলজার মুফতি হান্নান, বাংলা ভাই, শায়খ রহমান, আতাউর রহমান সানিসহ শীর্ষ জঙ্গিদের গ্রেফতার করে তাদের মুখে চপেটাঘাত করেছিলেন।

মেজর জেনারেল শাকিল, কর্ণেল গুলজারসহ নিহতদের মধ্যে যারা ২০০৮ এ সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন তাদের মধ্যে কর্ণেল এলাহি, কর্ণেল মোয়াজ্জেম, দেশের প্রথম প্যারা-কমান্ডো কর্ণেল এমদাদ, কর্ণেল ইনসাত, কর্ণেল লতিফুর রহমান, কর্ণেল নকিবুর রহমান, কর্ণেল ইমাম শাখাওয়াত, লে: কর্ণেল রবি রহমান, কর্ণেল এহসান, মেজর মাসুম, মেজর রফিক, মেজর খালিদ ও মেজর মাহবুব অন্যতম। উল্লেখ্য এইচ এম এরশাদের ভাগ্নে ছাড়াও এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছিলেন তৎকালীন আইজিপি নুর মোহাম্মদের জামাতা ক্যাপ্টেন মাজহারুল হায়দারও।

কী ঘটেছিল ২৫ ফেব্রুয়ারি?

বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনাটি ছিল সুপরিকল্পিত। বিদ্রোহের পরপর দেয়াল টপকে বেরিয়ে আসা মেজর নাজমুল ইত্তেফাকে প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে বলেন, “মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদের সঙ্গে কোন সৈনিকের বাক বিতন্ডা হয়নি। দরবার শুরু হওয়ার মাত্র ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে পূর্ব, পশ্চিম ও উত্তর দিক থেকে গোলাগুলি শুরু হয়ে যায়। বিডিআর জোয়ানরা একে অপরকে বলতে থাকে অফিসারদের ধর… ডাল-ভাত কর্মসূচী নিয়ে কিছুটা ক্ষোভ ছিল। তবে তা এতোটা ভয়ংকর রূপ নেয়ার মত ছিল না।”

২৫ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯টা ১ মিনিটে বিডিআর ডিজি শাকিল আহমেদ দরবার হলে বক্তব্যে বলেন, “গতকাল বিডিআর সপ্তাহের প্যারেড ভালো হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রশংসা করেছেন। ডাল-ভাত কর্মসূচি নিয়ে ক্ষোভ থাকতে পারে। কোন দ্বিধাদ্বন্দ্ব থাকলে তার বিস্তারিত পরিসংখ্যান আমি তুলে ধরছি। সরকারের কাছ থেকে আমরা ৪০০ কোটি টাকা পেয়েছি। কীভাবে টাকা খরচ হয়েছে এবং কী আছে তার বিবরণ দিচ্ছি……”

বলার অপেক্ষা রাখে না – স্বাভাবিক পরিস্থিতিকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে অস্থিতিশীল করা হয়েছে দেশকে অরাজকতার দিকে ঢেলে দিতে। যে বিএনপি সংসদ বয়কট করেছিল সেই বিএনপি ২৩ ফেব্রুয়ারি সংসদে যোগদান করেই বেরিয়ে যায়। সবচেয়ে অবাক বিষয় হচ্ছে, ২৪ থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি বিরোধী দলীয়নেত্রী খালেদা জিয়া কোথায় ছিলেন সে সংবাদ অন্তত কোন পত্রিকা বা মিডিয়ায় পাওয়া যায়নি।

 বিএনপি-জামায়াতের অবস্থানঃ

 সাদেক খান এবং সাবেক ডিজি ফজলুর রহমানসহ বিএনপি-জামায়াত নিয়ন্ত্রিত মিডিয়া প্রথম দিকে বিডিআরের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। • সাকা চৌধুরী শহীদ আর্মি অফিসারদের মৃত্যু প্রসঙ্গে “কিছু প্রাণী মারা গেছে” বলে বিদ্রূপ করে। • জামায়াত নেতা মুজাহিদ কেন এ ঘটনার আগের দিন দেশের বাইরে যেতে চেয়েছিলেন সেটি জানা যায়নি।

 অভিযুক্তদের পক্ষে কেন বিএনপি জামায়াত আইনী লড়াই করেছে?

বিডিআর হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের প্রেক্ষাপট বুঝতে অভিযুক্ত আসামীদের পক্ষে কারা আইনী লড়াই করেছে সেই আইনজীবীদের তালিকাটি বিবেচনা করা প্রয়োজন। এ থেকে অনুধাবন করা যায় যে নৈরাজ্য সৃষ্টিকারীদের সকল সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছিল বিএনপি-জামাত।

এই মামলায় আসামীদের পক্ষে আইনী লড়াইয়ে অংশগ্রহণকারী আইনজীবীদের তালিকাঃ

ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য।  ব্যারিস্টার রফিকুল হক, খালেদা জিয়ার প্রধান আইনজীবী। এডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন,  বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা।   ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য। 

এডভোকেট আমিনুর রহমান, হাওয়া ভবনের বিশেষ সুপারিশে নিয়োগপ্রাপ্ত জোট সরকারের পিপি। তার তত্ত্বাবধানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বিএনপি-জামায়াতের নেতারা বিভিন্ন মামলা থেকে অব্যাহতি পায়। সাবেক ছাত্র শিবির নেতা এডভোকেট ফারুক আহমেদ। জামায়াতের নেতা-কর্মীদের আইনি সহায়তা প্রদান কমিটির অন্যতম। যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে আইনি লড়াই চালাতে যুক্তরাজ্য থেকে জামায়াতী ব্যারিস্টার আমদানির সমন্বয়কারী ছিলেন। বর্তমানে বিএনপিপন্থী।

এডভোকেট সুলতান, সাবেক শিবির নেতা, ব্যারিস্টার রফিকের সহযোগী।  এডভোকেট জামাল, ঢাকা বারের লাইব্রেরি সম্পাদক ও বিএনপিপন্থী আইনজীবী।  এডভোকেট সুলতানা আক্তার রুবি, এডভোকেট আমিনের সহযোগী, বিএনপিপন্থী।  এডভোকেট সুফিয়া আক্তার হেলেন, এডভোকেট আমিনের সহযোগী, বিএনপিপন্থী। এডভোকেট রমজান খান, এডভোকেট আমিনের সহযোগী, বিএনপিপন্থী।  এডভোকেট জহিরুল আমিন, এডভোকেট আমিনের সহযোগী, বিএনপিপন্থী। এডভোকেট মোঃ জয়নুল আবেদীন, বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা। এডভোকেট শফিকুল ইসলাম, বিএনপিপন্থী। এডভোকেট টি এম আকবর, বিএনপি নেতা ও বার এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি। এডভোকেট এস এম শাহজাহান, জামায়াতপন্থী এবং যুদ্ধাপরাধী সাঈদীর অন্যতম কৌঁসুলি।  এডভোকেট শামীম সরদার, সুবিধাবাদি।  এডভোকেট শেখ রাশেদুল হক, বিএনপিপন্থী। এডভোকেট মাজেদুর রহমান মামুন, বিএনপিপন্থী। এডভোকেট এস এম রেফাজ উদ্দিন, বিএনপিপন্থী। এডভোকেট আব্দুর রশিদ, বিএনপিপন্থী। এডভোকেট খন্দকার জামাল, বিএনপিপন্থী। এডভোকেট আব্দুল মান্নান, বিএনপিপন্থী। এডভোকেট হুমায়ুন কবীর, বিএনপিপন্থী। এডভোকেট এমদাদুল হক লাল, বিএনপিপন্থী। 

কারা এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত?

ডিএডি তৌহিদ, বিদ্রোহী সিপাহী মাঈন, সুবেদার মেজর গোফরান মল্লিক সহ যে হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্তদের প্রায় সকলে বিএনপি আমলে নিয়োগপ্রাপ্ত। • টাঙ্গাইল থেকে গ্রেফতার হওয়া ২২ জন বিডিআর সদস্য ২১ আগস্ট গ্রেনেড মামলার আসামী বিএনপির উপমন্ত্রী সালাম পিন্টুর সুপারিশে চাকরি পেয়েছিল। • বিডিআর হত্যাকাণ্ডের দু’দিন পর খালেদা জিয়া সম্মুখে আসেন। তিনি বলেন, সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করা ভুল ছিল।

এ বক্তব্যেই বোঝা যায় তিনি কি চেয়েছিলেন। বিএনপিপন্থী কয়েকটি মিডিয়া বা সাদেক খানরা বিডিআরের পক্ষে অবস্থান নিয়েও পরবর্তিতে মত পরিবর্তন করেন। তাদের দাবি অনুযায়ী বল প্রয়োগ করা হলে প্রাণহানি ঘটতো অগণিত মানুষের। অন্যদিকে সিলেট, সাতক্ষীরাসহ কয়েকটি এলাকায় বিদ্রোহ শুরু হয়েছিল। রংপুরে তিনজন সেনাকর্মকর্তাকে জিম্মি করা হয়েছিল।

মোটিভ ছাড়া কোন অপরাধ সংগঠিত হয় না। এক্ষেত্রেও আমরা মোটিভ বিবেচনা করে বলতে পারি – বিডিআর বিদ্রোহের কারণ একটিই তা হচ্ছে বিশাল ম্যান্ডেট পাওয়া সরকারের পতন ও দেশকে অস্থিতিশীলতার দিকে ঢেলে দেয়া। অন্যদিকে সরকার বিদ্রোহে জড়িতদের শাস্তি দিতে পিছপা হয়নি। ঘটনার পরই এফবিআই ও স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের সহযোগিতা চাওয়া হয়।

যাদের চক্রান্তে জাতি সেরা সন্তানদের হারালো তাদের জন্য অভিশাপ দেয়া ছাড়া আর কোন ক্ষমতা আমাদের নেই। বিডিআর বিদ্রোহে শেখ হাসিনা যেভাবে জাতিকে অনিশ্চয়তা ও ভয়াবহ দুর্যোগ থেকে রক্ষা করেছেন তা অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। শেখ হাসিনার দৃঢ় পদক্ষেপের কারণেই আজ এ বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের বিচার সম্পন্ন হচ্ছে।

আজকের সাতক্ষীরা
আজকের সাতক্ষীরা