• শুক্রবার   ২৮ জানুয়ারি ২০২২ ||

  • মাঘ ১৫ ১৪২৮

  • || ২৫ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

আজকের সাতক্ষীরা

১৭ লাখ ৩৩ হাজার ডোজ ভ্যাকসিন পেয়েছে সাতক্ষীরাবাসী

আজকের সাতক্ষীরা

প্রকাশিত: ২০ ডিসেম্বর ২০২১  

সাতক্ষীরা জেলার সাত উপজেলায় অ্যাস্ট্রাজেনেকা, সিনোফার্ম ও ফাইজার মিলে মোট ১৭ লাখ ৩৩ হাজার ৫২৩ ডোজ করোনা প্রতিরোধক ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে ১০ লাখ ৩৭ হাজার ১৭৮ জনকে এবং দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে ৬ লাখ ৯৬ হাজার ৩৪৫ জনকে। গত ১৮ ডিসেম্বর শনিবার পর্যন্ত এ সংখ্যক ভ্যাকসিন দেওয়া হয়।

তবে দেশে বুস্টার ডোজ দেওয়া শুরু হলেও সাতক্ষীরা জেলায় এ বিষয়ে এখানো কোন নিদের্শনা আসেনি বলে সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে।

সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা যায়, জেলায় এখন পর্যন্ত প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে ১০ লাখ ৩৭ হাজার ১৭৮ জনকে এবং দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন ৬ লাখ ৯৬ হাজার ৩৪৫ জন। সবমিলিয়ে ১৭ লাখ ৩৩ হাজার ৫২৩ ডোজ ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে অ্যাস্ট্রাজেনেকার প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে ১ লাখ ১৫ হাজার ৭৫৩ জনকে এবং দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৪২৩ জন। সিনোফার্মসের প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে ৮ লাখ ৮৮ হাজার ২৬ জনকে এবং দ্বিতীয় ডোজ দেয়া হয়েছে ৬ লাখ ৩৫ হাজার ৩২ জনকে। ফাইজার এর ভ্যাকসিন প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে ৩৩ হাজার ৩৯৯ জনকে এবং দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন ৮ হাজার ৩৯০ জন।

এদিকে, জেলা নাগরিক কমিটির নেতারা জানান, সাতক্ষীরার সাথে পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্র ভারতের ২৭১ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। অর্থনীতির বিকাশে এ জেলায় রয়েছে একটি স্থলবন্দর। এসব সীমান্ত দিয়ে মানুষ যাতাযাত করে। জেলার চিংড়ি ও কাঁকড়ার ঐতিহ্য বিশ্বজোড়া। দেশি-বিদেশী ব্যবসায়ী ও পর্যটকদের আগমন ঘটে এ জেলার পূণ্যভূমিতে। সেই কারণে এ জেলার মানুষের ওমিক্রন ঝুঁকিটা বেশি। ঝুঁকিপূর্ণ জেলা হিসেবে সাতক্ষীরা মানুষের জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বুস্টার ডোজ দ্রুত প্রদানের দাবি জানান কমিটির নেতৃবৃন্দ।

তবে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, যারা করোনার টিকার দুই ডোজ নিয়েছেন, তারা ধাপে ধাপে বুস্টার ডোজ পাবেন। এ জন্য তাদের আর সুরক্ষা অ্যাপে নিবন্ধন করার প্রয়োজন হবে না। প্রথমে সম্মুখসারির ব্যক্তিদের (চিকিৎসক, নার্স, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, গণমাধ্যমকর্মী ও ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তি) বুস্টার ডোজের আওতায় আনা হবে। পর্যায়ক্রমে অন্যরাও বুস্টার ডোজ পাবে।

সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ হুসাইন শাফায়াত বলেন, জেলার সাত উপজেলায় টিকাদান কার্যক্রম চালু রয়েছে। সাধারণ জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে করোনা ভ্যাকসিন নিচ্ছে। তবে বুস্টার ডোজের বিষয়ে এখনো কোন নিদের্শনা আসেনি। নিদের্শনা পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

আজকের সাতক্ষীরা
আজকের সাতক্ষীরা